বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন

বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন বাগেরহাট জেলা কমিটির পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা
সংবাদ শিরোনাম :
সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় জেলা মহিলা দলের সভাপতি শাহিদা আক্তার পানির অভাবে  বোরো ধানে ব্যাপক ক্ষতি, চরম দুশ্চিন্তায় বাগেরহাট  ও রামপালের কৃষকরা বাগেরহাটে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ভট্ট আবাসন কেন্দ্রে এমপি মনজুরুল হক রাহাদ বৃটেনের কার্ডিফের ইন্টারন্যাশনাল ম্যাদার ল্যাংগুয়েজ মনুমেন্টে  আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত, বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাযা হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়ার আহবান, চুলকাটিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন মিথ্যা অভিযোগ ও অপ-প্রচারের প্রতিবাদে বাগেরহাটে সংবাদ সম্মেলন মোংলা বন্দর পরিদর্শন  সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রী প্রেসক্লাব রামপালের পক্ষ থেকে প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম-কে অভ্যর্থনা নারী আসনে এমপি হতে চান- মিসেস মনিরা ইসলাম মানবিক সেবক শেখ ফরিদুল ইসলাম প্রতিমন্ত্রী (এমপি) হওয়ায় চুলকাটি প্রেসক্লাব শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
রামপালের কৈগর্দ্দাসকাটির ৪৫টি বাড়িঘর জোয়ারের পানিতে প্লাবিত

রামপালের কৈগর্দ্দাসকাটির ৪৫টি বাড়িঘর জোয়ারের পানিতে প্লাবিত

রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি।।
রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা ইউনিয়নের কৈগর্দ্দাসকাটি চর এলাকার অন্তত ৪৫টি বাড়িঘর জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। অমাবস্যা ও পূর্ণিমার গোনের সময় দিন-রাত দুই দফা জোয়ারের পানি ঢুকে পড়ায় বাড়িঘর তলিয়ে গিয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে এলাকার মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গৌরম্ভা ইউনিয়নের দুর্গম এই চরাঞ্চলে প্রায় ৬ থেকে ৭ শতাধিক মানুষের বসবাস। এর মধ্যে প্রায় ৫০টি পরিবারের বাড়ির চারপাশে কোনো নিরাপত্তা বেষ্টনী বা বেড়িবাঁধ না থাকায় অতিরিক্ত জোয়ারের পানিতে নিয়মিত প্লাবিত হচ্ছে। এতে ধান ও মাছ চাষ, গবাদিপশু পালন, রান্না করা ও বসবাস কঠিন হয়ে পড়েছে। শিশুদের পড়াশোনা ও স্কুলে যাতায়াতেও বিঘ্ন ঘটছে। স্থানীয়রা জানান, জোয়ারের সময় রান্নার চুলা পর্যন্ত পানি উঠে যাওয়ায় খেয়ে না খেয়েই অনেক পরিবার দিন কাটাচ্ছেন। প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ফসলের মাঠের আমন ধানের চারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সুপেয় পানির ব্যবস্থা না থাকায় বাসিন্দাদের ৪ কিলোমিটার দূর থেকে পায়ে হেঁটে পানি আনতে হয়। কাছাকাছি কোনো টিউবওয়েল বা পানি সরবরাহের ব্যবস্থা নেই বলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করতে হচ্ছে। এলাকায় বিদ্যালয় না থাকায় শিশুদের স্কুলে যাতায়াতও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। অসুস্থ হলে চিকিৎসা নিতেও ভোগান্তি পোহাতে হয়। একমাত্র সরু চলাচলের পথটিও জোয়ারের পানিতে ডুবে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি চরভরাটি খাস জমিতে গড়ে ওঠা এ গ্রামে অধিকাংশ পরিবারই ভূমিহীন। প্রভাবশালী ভূমিদস্যুরা খাস জমি দখল করে মাছ ও ধান চাষ করছে। প্রশাসনের নজরদারির অভাবে এভাবে হাজার হাজার একর খাস জমি দখল হয়ে যাচ্ছে এবং প্লট আকারে বিক্রিও করা হচ্ছে। তারা দ্রুত টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা করে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০ – ২০২৫, www.chulkati24.com

কারিগরি সহায়তায়ঃ-SB Computers